কোম্পানীগঞ্জে মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম দিন পালন




কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :

নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়  সনাতন হিন্দু ধর্মের প্রবার্তক ও প্রাণপুরুষ মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম দিনকে ঘিরে পালন করেছে ধর্মীয়  নানান অনুষ্ঠান।  

আজ  শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির আয়োজনে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উদ্ভোধক ছিলেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ,খ্রিস্টান,ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয়  শিল্প বিষয়ক সম্পাদক  অরবিন্দ ভৌমিক,
বক্তব্য রাখেন,  হিন্দু, বৌদ্ধ,খ্রিস্টান,ঐক্য পরিষদের উপজেলা শাখার সভাপতি সন্তোষ কুমার মজুমদার, কোম্পানীগঞ্জ পূজা উৎযাপন পরিষদের  সাধাণ সম্পাদক বিমল চন্দ্র মজুমদার,চর হাজারী জগন্নাত মন্দির সমাজ কল্যাণ পরিষদ সাধারণ সম্পাদক প্রবোধ মজুমদার, মতুয়া শ্রী মৃত্যুঞ্জয় মজুদার, ইসকনের শ্রী নিতাই প্রভু,সহ অনেকেই।

আবদুল কাদের মির্জা তাঁর উদ্ভোধনী  বক্তব্যে বলন, সত্য, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ। অন্যায়,  অভিচার, জুলুম এর বিরুদ্ধে আমি আপনাদের  প্রতি আহবান জানাব আপনারা আপনাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে  ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ লালন পালন করবেন। আজকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সংগঠন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়,বাংলার প্রধান মন্ত্রী, জননেত্রী  শেখ হাসিনা এদেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ যেন   ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করতে পারে তার জন্য কজ করে যচ্ছেন। আজকে দু:খ  জনক হলেও সত্য, একটা সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মী অনুষ্ঠানে হামলা,মন্দিরে হামলা, বাড়ী ঘরে আগুন,দোকান -পাটে লুট পাট করছে, অত্যাচার  নির্যাতন  করছে।
মুলত:এটি করছে শেখ হাসিনাকে কলঙ্কিত করার জন্য, শেখ হাসিনার উন্নয়নকে ম্লান করার জন্য,হিন্দু সম্প্রদায়ের  লোকজন যেন এদেশে বসবাস করতে না পারে এ জন্য এই সকল কর্মকাণ্ড গুলি করে যাচ্ছে। কোম্পানীগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টি করতে আমরা দেবনা,অতীতেও আমরাই দিনাই আপনাদের ধর্ম আপনারা পালন করবেন, এটি আপনাদের অধিকার। কেউ যদি বাধা দেয় তা আমরা কঠিন ভাবে প্রতিহত করবো।

এবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের  আয়োজন ছিলো অনেক ভিন্নতায়।বিভন্ন এলাকা থেকে তারা ঢোল - বাদ্য বাজিয়ে পৌর প্রাঙ্গনে উপস্থিত হয়ে বের করে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। পরে  শোভাযাত্রাটি বসুরহাট শহর প্রদক্ষিন করে উপজেলার  কেন্দ্রীয়  মন্দিরে গিয়ে  শেষ করেন।শেষে ছিলো  প্রসাদ বিতরণ ও ভোজন  কির্তন।







শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.