ফ্রান্সে হযরত মোহাম্মদ (স:) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে চরফকিরা ইউনিয়নে বিক্ষোভ

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :: ফ্রান্সে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে নোয়াখালী’র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চাপরাশিরহাট কেন্দ্রীয় দারুস সালাম মসজিদ‘র আয়োজনে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠে চাপরাশিরহাট। বিক্ষোভ চলাকালে বাজারের কোন দোকানপাট খোলা দেখা যায়নি। সকল পেশা’র মানুষ এ বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহন করে।

ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লা থেকে খন্ড –খন্ড মিছিল ফ্যাষ্টুন – ব্যানার নিয়ে কেন্দ্রীয় মসজিদে সমবেত হয়।পরে চাপরাশিরহাট পূর্ববাজার থেকে পশ্চিম বাজারের প্রধান সড়কে প্রদক্ষিন শেষে চাপরাশিরহাট মধ্যম বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চাপরশিরহাট কেন্দ্রীয় দারুস সালাম জামে মসজিদ’র সভাপতি মিজানুর রহমান বাদল’র সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন চরফকিরা ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন লিটন, উপজেলাআওয়ামীলীগ সদস্য জহিরউদ্দীন পাটোয়ারী, উপজেলা জাতীয় পার্টি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপন, মসজিদ কমিটির সাধরণ সম্পাদক কামালউদ্দীন পাটোয়ারী, চরফকিরা ইউনিয়ন বিএনপি‘র সহসভাপতি হাজী মো: শাহজাহান, চরফকিরা ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামী সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা মো: ইসহাক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহেদল হক কচি, চাপরাশিরহাট পূর্ববাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশ্রাফ হোসেন রবেন্স।

বিক্ষোভ সমাবেশের সভাপতি সমাপনী বক্তব্যে মিজানুর রহমান বাদল বলেন, ফ্রান্সেরাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নবী (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র কার্টুন প্রকাশ করায় সারাবিশ্বের মুসলমানদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ফ্রান্সে ৬৮টি মসজিদ ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে আরো অসংখ্য মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধ করার তালিকায় রয়েছে। এ আচরণ চরম ইসলাম বিদ্বেষী পরিচয় বহন করে। ফ্রান্স প্রতিবছর আলজেরিয়াতে ১৪০ কোটি ও মরক্কোতে ৭‘শ মিলিয়ন ইউরোর কৃষিপণ্য রপ্তানী করে। বাংলাদেশ,পাকিস্থান ও তুরষ্কে রয়েছে তাদের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান টোটাল‘র বিশাল বাজার, সৈাদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে জ্বালানী অনুসন্ধান, উৎপাদন ও পরিশোধনে টোটাল কোম্পানীর বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে। ফ্রান্সের পণ্যবর্জনের ডাক যদি কড়াকড়ি ভাবে পালিত হয় তাহলে ফ্রান্সের অর্থনীতি নিশ্চিতভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আমরা আজকের এই সমাবেশ থেকে ফ্রান্সের সকলপণ্য বর্জন করে সারাবিশ্বের মুসলমান রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই।

শেষে ফ্রান্স সরকারের প্রধান এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কুশপত্তলিকা দাহ করে বিক্ষোভকারীরা।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.