মওদুদ আহমেদের সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে কোম্পানীগঞ্জে যুবদল-বিএনপি দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১০

0
303

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে যুবদল ও বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ দুপুর ১টায় উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার নতুন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায়।

সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় বিএনপির নবনির্বাচিত কমিটিতে স্থায়ী কমিটির পদ পাওয়ার পর ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদের আজ শনিবার নিজ নির্বাচনী এলাকা কোম্পানীগঞ্জে প্রথম সফর ছিল। সফরকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল তাকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করে। এ উপলক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা এসে পৌরসভার নতুন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় একত্রিত হতে থাকে। সূত্র জানায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল যার যার শক্তি প্রদর্শনের জন্য নিজেদের দল ভারী করতে আলাদা আলাদা গ্রুপে লোক জড়ো করতে থাকে। কিন্তু উপজেলার ৮নং চরএলাহী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো: ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একটি হোন্ডা বহর এসে সরাসরি যুবদলের সাথে একত্রিত না হয়ে কিছু অংশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই সেলিমের বাড়িতে তার দলে ভিড়লে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে যুবদল নেতৃবৃন্দ। যুবদলের মিছিলে না এসে বিএনপি সভাপতির বাড়িতে কেন যাওয়া হল উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন কথাটি জিজ্ঞাসা করতে গেলে মো: ইসমাইল হোসেন ও মামুনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। মো: ইসমাইল হোসেন উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা ও চরএলাহী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন তোতার ছেলে। সংবাদ পেয়ে তোতা ঘটনা সম্পর্কে আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে জিজ্ঞাসা করলে মামুন গ্রুপ তোতার উপর হামলা চালায়। এসময় তোতা গ্রুপও পাল্টা হাভমলা চালায়। হামলায় আব্দুল মতিন তোতা, তার ছেলে মো: ইসমাইল হোসেনসহ অন্তত ১০জন আহত হয়। হামলাকারীদের নিভৃত করতে গিয়ে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল মতিন লিটনও আহত হয়। আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

https://www.noakhalitimes.com
কোম্পানীগঞ্জে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত উপজেলা কৃষক দল সভাপতি আবদুল মতিন তোতা (হোন্ডা আরোহীর মাঝে)

হামলার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম শিকদার জানান, আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরবর্তীতে আমি উভয় পক্ষকে নিভৃত করার চেষ্টা করি।

উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল মতিন লিটন হামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। বড় দলে এ ধরনের ছোট খাট ঘটনা ঘটে। নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে তা মিটে গেছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে বিএনপি ও যুবদলের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের কারনে ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদকে সংবর্ধনা দিতে যাওয়া নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ায় তিনি সংবর্ধনা নিতে পারেননি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে