কোম্পানীগঞ্জে এ্যাসাইনমেন্টকে পূঁজি করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

0
215
https://www.noakhalitimes.com
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চলতি বছর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকলেও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে এসাইনমেন্টকে পূঁজি করে বিভিন্ন খাত দেখিয়ে ফিস আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
মঙ্গলবার (১০নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচী শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিয়াউল হক মীর’র কাছে অভিভাবকদের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ দেয় প্রতিবাদকারীরা।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানায়, বন্ধের মধ্যে বেতন কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক অন্যান্য ফি গ্রহণের সরকারী চূড়ান্ত নির্দেশনা না থাকলেও পরীক্ষার পরিবর্তে এ্যাসাইনমেন্ট ও মূল্যায়ণকে পূঁজি করে এই প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদবিহীন টোকেনের মাধ্যমে ১ হাজার ৮শত টাকা থেকে ২হাজার ২শত টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। করোনার এ সময়ে মানুষ চরম অর্থনৈতিক সংকট পার করছে। মৌলিক চাহিদা পূরণে অধিকাংশ পরিবার রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে। এরই মাঝে প্রতিষ্ঠানের এমন সিদ্ধান্তে অভিভাবকরা সন্তানদের পড়ালেখার অনিচ্ছয়তার আশংকায় উৎকণ্ঠায় ভোগছে। মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার হয়ারানি ও ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক এর সাথে একাধিকবার তার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিয়াউল হক মীর জানান, এ্যাসাইনমেন্ট বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন রকম ফি নেওয়া যাবে না মর্মে ইউএনও কোম্পানীগঞ্জ এফবি আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস দেয়া হয়। অভিভাবকরা মানববন্ধন করার পূর্বে আমাকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমি ওই স্কুলের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এরপরেও তাদের এ লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ কামাল পারভেজ জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এ ধরনের অজুহাতে অর্থ আদায়ে আগে থেকেইে নিষেধাজ্ঞা ছিল। একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে, আমরা সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান করবো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে