আওয়ামীলীগ প্রার্থী চূড়ান্ত, বিএনপি সিদ্ধান্তহীনতায়

বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন

0
138
https://www.noakhalitimes.com

এএইচএম মান্নান মুন্না :: চলতি বছরের শেষের দিকে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার দল আওয়ামীলীগে মাঠ দাপাচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামীলীগ নেতারা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। এবার নির্বাচনে মেয়র পদে আবদুর কাদের মির্জাকে একক প্রার্থী ঘোষণা করলেও কাউন্সিলর পদে একক ওয়ার্ডে ৪/৫জন করে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছে। এ পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলটি গত এক সপ্তাহ যাবৎ সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বসুরহাট পৌর হলে উপজেলা আওয়ামীলীগের এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় আবদুল কাদের মির্জাকে মেয়র পদে একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দরা বিভিন্ন ইউনিট নিয়ে বৈঠক বসে। বৈঠকে দলের সহযোগী সংঠগনে পদবীধারী কোন নেতা কাউন্সিলদের পক্ষে ভোট ক্যাম্পেইন না করে শুধুমাত্র মেয়র পদের অধীনে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়। এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থীদের নিয়ে পাড়ায় মহল্লায় গুঞ্জন চলছে। মনোনয়ন নিতে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা তৎপরতা শুরু করেছেন। উপজেলা নেত্রীবৃন্দের আর্শিবাদ নিতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সমর্থন পেতে বাড়িয়েছেন সাংগঠনিক যোগাযোগ। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেকেই প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। দলের ত্যাগী ও জনপ্রিয়তা যাচাই বাচাই করে নীতিনির্ধারকরা কাউন্সিলর পদে প্রার্থী মনোনয়ন দিবেন এমনই প্রত্যাশা করেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

অপরদিকে সংসদের বাহিরে থাকলে দেশের বৃহৎ বিরোধীদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ উপজেলায় গ্রুপিং এর কারণে নেতৃত্ব সংকট সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অগণতান্ত্রিকভাবে বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি ঘোষণা করে। শুধুমাত্র পৌরসভার মধ্য থেকে ভাইটাল পোস্ট রেখে ইউনিয়নের ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের অবমূল্যায়নের অভিযোগ তুলে ব্যারিস্টার মওদুদের কমিটিকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বর্জন করেছে। এ অবস্থায় উপজেলাটিতে তিনটি গ্রæপে বিভক্ত দলটি। ফলে পৌরসভা নির্বাচনে এখনও মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী মনোনয়নে সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে দলটি। এতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চরম উদ্বেগ, উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। উপজেলা বিএনপি’র এক অংশের সিনিয়র এক নেতা গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন, এ সরকারের শাসনামলে বিগত দিনের নির্বাচনের ফলাফল জেনেও বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নিবে। জনগণ বিএনপি’র পক্ষে অতীতেও ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে। ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে জনগণ বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করবে।

উল্লেখ্য ২০১৫সালের ৩০ডিসেম্বর এ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে এ বছরের শেষের দিকে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে সকল মহলে জল্পনা-কল্পনা চলছে। নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হউক এমন প্রত্যাশা প্রার্থীদের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে