সর্বশেষ

নোয়াখালীতে স্কুল ছাত্রী  অদিতা হত্যার প্রতিবাদে সিপিবি'র বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

নোয়াখালীতে স্কুল ছাত্রী অদিতা হত্যার প্রতিবাদে সিপিবি'র বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল



নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)  নোয়াখালী জেলা কমিটির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার  বিকাল ৪ ঘটিকায়   মাইজদী টাউন হল মোড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে কমিউনিস্ট পার্টি জেলা কমিটির  সভাপতি কমরেড শহীদ উদ্দিন বাবুলের সভাপতিত্বে কমরেড বিমল মজুমদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টি  জেলা কমিটির  সেক্রেটারী  কমরেড ডাঃ আবু তাহের ভূঁঞা,কমরেড এ্যাডভোকেট প্রদ্যুৎ কান্তি পাল, রবিউল ইসলাম রিয়াদ,মানিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, স্কুল ছাত্রী অদিতা কে নিজ বাসায় ধর্ষণের চেষ্টার পর হাতের,  পায়ের রগ ও গলাকেটে নির্মম,নিষ্ঠুর, নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। অনতিবিলম্বে এ স্কুল ছাত্রী অদিতার খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতসহ সারাদেশে স্কুল কলেজের ছাত্রী এবং নারীদের খুন,ধর্ষণ,নির্যাতন,নিপীড়ন বন্ধের দাবী জানান।

সমাবেশ পূর্বে একই দাবীতে মাইজদী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল প্রদক্ষিণ করেন।  

 কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের হাত থেকে হ্যাণ্ডকাপসহ আসামী পালিয়ে গেছে

কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের হাত থেকে হ্যাণ্ডকাপসহ আসামী পালিয়ে গেছে

কোম্পানীগঞ্জ  প্রতিনিধি :: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারের পর পুলিশের হাত থেকে হ্যাণ্ডকাপসহ পালিয়ে যাওয়ার খবর  পাওয়া গেছে। এঘটনা ঘটে  আজ বুধবার দুপুর ২ টায় উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা ৮ ওয়ার্ডের  জামাইটেক এলাকায় স্বর্ণকার বাড়ীতে।

পলায়নকারী আসামী  ইসমাইল হোসেন বয়াতি ওই এলাকার স্বর্ণকার বাড়ীর মৃত আলী আজ্জমের ছেলে ইসমাইল হোসেন প্রকাশ বয়াতি (৪০)। পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের জামাইর টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন প্রকাশ বয়াতি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার এএসআই রবিউল ইসলাম একটি সোর্সের সূত্রধরে তাকে  গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর   হ্যাণ্ডকাপ পরানো অবস্থায়  পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।  আসামী ইসমাইল হোসেনের পুত্রও এ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তাকে গত সপ্তাহে পুলিশ আটক করলে সেও পালিয়ে যায়। পুলিশের কাছ থেকে পরপর এ দুই  আসামী একই বাড়ী থেকে  পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা বলে মনে করেন এলাকাবাসী।   তাদের  বিরুদ্ধে একধিক মামলা রয়েছে।

এএসআই রবিউল জানান, হ্যাণ্ডকাপসহ পালিয়ে যাওয়া আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ   (ওসি) মো: সাদেকুর রহমান জানান, অভিযানের সময় পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন প্রকাশ বয়াতি তার সহযোগিদের সহায়তায় সে পালিয়ে যায়। এঘটনার পর পরই ওই এলাকায়   পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করে  তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে
নোয়াখালী জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, চেয়ারম্যান ভোট  স্থগিত

নোয়াখালী জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, চেয়ারম্যান ভোট স্থগিত


নোয়াখালী প্রতিনিধি::  নোয়াখালী জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, চেয়ারম্যান ভোট  স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার জজ এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালত একইসঙ্গে ওই নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলাবক্স তাহের টিটুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন আপিল বিভাগে পাঠিয়ে একই দিন শুনানির তারিখ রাখেন। টিটুর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ উঠেছে।

আদালতে টিটুর পক্ষে শুনানি করা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন ফকির।

এর আগে গত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঋণখেলাপির অভিযোগ ওঠা নোয়াখালী জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলাবক্স তাহের টিটুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঋণখেলাপির অভিযোগে আলাবক্স তাহের টিটুর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান। এ ছাড়া সাধারণ সদস্যপ্রার্থী পাঁচজন ও সংরক্ষিত সদস্যপদে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। পরে মনোনয়নপত্র বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আপিল করেন টিটু। সেখানেও মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হলে হাইকোর্টে রিট করেন টিটু।
কোম্পানীগঞ্জে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ!  বৈষম্য না রেখে সমাজ সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান

কোম্পানীগঞ্জে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ! বৈষম্য না রেখে সমাজ সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান


কোম্পানীগঞ্জ (নোয়খালী) প্রতিনিধি :: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ৪ ঘন্টা ব্যাপী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ বীর উত্তম নুরুল হক অডিটোরিয়ামে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানসহ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়া’র সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহ মোঃ কামাল পারভেজ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।  অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভিন ও আজম পাশা চৌধুরী রুমেল,  সহকারী কমিশনার (ভূমি) পিয়াস চন্দ্র দাস, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাদেকুর রহমান, বসুরহাট এ.এইচ.সি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মিলন বাবু, বীরমুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক, বামনী কলেজের অধ্যক্ষ রাহাবার হোসেন, চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ  হানিফ আনসারী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অরবিন্দ ভৌমিক, ইসলামি ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আবদুর রহিম, বসুরহাট ইসলামীয়া ফাযিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সেক্রেটারী মোঃ ইউনুছ প্রমুখ। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগের দিনের মতো সমাজে আর একে অপরের প্রতি সম্প্রীতি নেই। হিন্দু- মুসলিম, ধনী-গরিব সবার পরিচয় আমরা মানুষ। তাই একে অপরের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই দেশটাকে সবার এগিয়ে নিতে হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য না রেখে সমাজ অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে হবে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।
কোম্পানীগঞ্জে বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ঘটনায় মামলা করায় বাদীকে হত্যার হুমকি

কোম্পানীগঞ্জে বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ঘটনায় মামলা করায় বাদীকে হত্যার হুমকি

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)  প্রতিনিধি :: 
কোম্পানীগঞ্জে  জায়গা জমিনের বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বসত ঘরে গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রতিপক্ষ মানিককে প্রধান আসামী করে থানায় মামলা।একজন গ্রেপ্তার হলেও প্রধান আসামীসহ অন্যরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০ সেপ্টেম্বর  অনুমান ৩ ঘটিকায় উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কৃষক আবদুল হালীমের বাড়ীতে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়।

এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বড় ধরনের বিপদ থেকে পরিবারের  সদস্যরা  বেঁচে গেলেও   ঘরের সূতা পরিমাণ প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র  রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুনে পুড়ে  অঙ্কুর হয়ে যায় পুরো বসত ঘর।

এলাকাবাসীরা  আরো জানান, বর্তমানে কৃষক আব্দুল হালীমকে বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করার জন্য তার প্রতিপক্ষরা  এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। কৃষক আব্দুল হালীম এর ৪ মেয়ে  ১ছেলে। মেয়েরা বড় হলেও ছেলেটি রয়েছে সবার ছোট।তার কোন জনবল না থাকায়  প্রায় সময় হামলা, মামলা,ভয়ভীতি, জোর করে ভূমি দখল করে করে আসছে। তারা এমনকি পাশের একটি জমিন আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও বল প্রয়োগ করে জমিনে হাল চাষ দিয়ে ধান রোপণ করে দখল করে রেখেছে  প্রতিবেশি প্রতিপক্ষ মানিক।

ভুক্তভোগীর  স্বজনরা  অভিযোগ করে বলেন,  জায়গা জমিন নিয়ে আবদুল হালীমের  সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে মানিকের । বিভিন্ন সময় মানিক  ও তার পরিবারের লোকজনকে হুমকি দিতো।  হুমকির বাস্তবায়ন করতে  ২০ সেপ্টেম্বর রাত প্রায় ৩ টার সময়ে  বসত ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় মানিক ও তার লোকজন। আগুন লাগিয়ে পালিয়ে  যাওযার সময় অনেকের নজরে আসে তারা। 

এলাকায় মানিকদের আত্মীয় স্বজনের বলয় থাকায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা।  তার নেতৃত্বে এঘটনা সংঘটিত হওয়ায়  বলে  মানিক কে প্রধান আসামী করে জনের বিরুদ্ধে  থানায় একটি  মামলা দায়ের করেন কৃষক আব্দুল হালীম। মামলা করায়  আসামীরা জেলে যাওয়ার আগে তাকে জবাই করে হত্যার হুমকি দিচ্ছে মামলা প্রধান আসমী মানিক।  আসামীরা হলো, আবু ছায়েদ মানিক (৪০)   আবু নাছের (৪৫),সৈয়দ আহম্মদ (৫০) মোঃ ডালিম (৩০)আনোয়ার হোসেন (৪৪)আব্দুল হাই( ৫৫)। মামলার আসামী আনোয়ার হোসেন গ্রেপ্তার  হলেও অন্যান্য আসমীরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় কৃষক  আব্দুল হালীমের ছেলে মেয়েদের মধ্যে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক কাজ করছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোঃ মেজবা উল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এলাকাবাসী এ ন্যাক্কারজনক  ঘটনায় দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান।
নোয়াখালীতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পিন্টু -টিটু  লড়াই হবে

নোয়াখালীতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পিন্টু -টিটু লড়াই হবে

নোয়াখালী  প্রতিনিধি : নোয়াখালীতে ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নোয়াখালীর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় ভোটযুদ্ধে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে চশমা প্রতীক নিয়ে লড়বেন আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আলাবক্স তাহের টিটু আনারস প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়ছেন।


এদিকে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সদস্য পদে এককভাবে চাটখিল থেকে মাসুদুর রহমান শিপন ও হাতিয়া থেকে মহি উদ্দিন মুহিন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমানের কার্যালয়ে প্রথমে লটারির মাধ্যমে চেয়ারম্যানদের এবং পরে সদস্যদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। রিটার্নিং অফিসার  এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহার শেষে চেয়ারম্যান পদে দুইজন, সাধারণ সদস্য পদে ২৭ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৫ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন।

প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের সময় ব্যাংকের ঋণ খেলাপির অভিযোগে মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল আলাবক্স তাহের টিটুর। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আপিল করেও টিকেনি তার মনোনয়ন। সবশেষ গতকাল রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে টিটুর আবেদনের প্রেক্ষিতে তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট)।

পরে হাইকোর্টের আদেশ পুনরায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। তবে সোমবার ওই আবেদনের শুনানি করেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত। এ দিন শুনানি শেষে টিটুর মনোনয়নের স্থগিতাদেশের আবেদন প্রত্যাহার করে মনোনয়নের বৈধতাদেশ বহাল রাখেন আদালত।

আগামী ১৭ অক্টোবর নোয়াখালীর নয়টি কেন্দ্রে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৩০৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটর ৯৯৮ জন, আর নারী ভোটার রয়েছেন ৩০৮ জন।ভোটাররা স্ব- স্ব উপজেলায় ভোট কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। 
অভিভাবকদের প্রতি নোয়াখালী জেলা পুলিশ  সুপারের আহবান

অভিভাবকদের প্রতি নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের আহবান

সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি আহবান আপনার সন্তান কোথায় যায় তা খেয়াল রাখুন। 

প্রতিদিন লক্ষ্য রাখুন :

১. সে কখন স্কুলে যায়। 

২. স্কুল থেকে কখন বাসায় ফিরে। 

৩. স্কুলে আসার সময় মোবাইল ফোন নিয়ে আসে কি না সাথে ব্লুটুথ ইয়ার ফোন। 

৪. স্কুল ড্রেসের বাইরে অন্য কোন ড্রেস অতিরিক্ত হিসাবে রাখে কি না এমনকি কোন জার্সি পরে আসে কি না। 

৫. মাথার চুল স্বাভাবিক আছে কি না। 

৬. যদি প্রাইভেট পড়ে, কোথায় প্রাইভেট পড়ে, কখন পড়ে, সেখানে যোগাযোগ রাখবেন। 

৭. মাঝে মধ্যে স্কুলে আসবেন তাকে না জানিয়ে। 

৮. শ্রেণি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রাখবেন। 

৯. কার সাথে মিশতেছে জানতে চেষ্টা করুন। 

১০. প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা দিবেন না। 

১১. মাঝেমধ্যে স্কুলের ব্যাগ ও মানিব্যাগ(যদি থাকে) চেক করুন। 

১২. স্মার্টফোন ব্যবহার করা নিষেধ করে দিবেন, যদি কোন তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে আপনি পাশে থেকে সহায়তা করুন। 

১৩. আপনার সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন। 

১৪. যেকোনো সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে, সম্ভব হলে শ্রেণি শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক এর সাথে যোগাযোগ করে এটার সত্যতা যাচাই করবেন।

সর্বোপরি আপনার সন্তানকে সময় দিন। কাছ থেকে ভালমন্দ বুঝানোর চেষ্টা করুন, যাতে সে বুঝতে পারে এবং একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারে।